মহাপ্রলয় কি আসন্ন ?
===============পৃথিবীর বুকে প্রথম উন্নত মানবজাতি সৃষ্টি করেছিলেন এরা, মানবজাতিকে জ্ঞান আর বিজ্ঞানে বলীয়ান করেছিলেন এরা, পৃথিবীবাসীকে উন্নত সভ্যতা দান করেছিলেন এরা আবার যখনই এদের দেওয়া জ্ঞান আর বিজ্ঞানে বলীয়ান মানবজাতি নিজেদের স্পর্ধা অতিক্রম করে নিজেরাই নিজেদের পৃথিবীর নিয়ন্ত্রক ভাবতে শুরু করলো, ধর্ম ও সাম্রাজ্যবাদের নামে এক মানবজাতি অপর মানবজাতিকে ধ্বংস করবার অভিপ্রায়ে সর্বনাশা যুদ্ধ শুরু করলো তখন উদ্ধত মানবজাতিকে তাদের কৃতকর্মের উচিত শিক্ষা দানের জন্য পৃথিবীর বুকে মহাপ্রলয় এনেছিলেন এরাই। নিজেদেরই গড়ে তোলা উদ্ধত মানবজাতিকে ধ্বংস করেছিলেন এরাই, আবার মুষ্টিমেয় কিছু নিরীহ,সৎ ও নিরপরাধ মানুষ ও পশুপাখিদের একটা অতিকায় জলযানে চাপিয়ে পৃথিবীর মাটিতে পুনরায় নবরূপে সৃষ্টি করেছিলেন মানব সভ্যতাকে। এরপর নিজেদের মহাকাশযানে সওয়ার হয়ে বিদায় নেবার পূর্বে মানবজাতিকে শুনিয়ে গিয়েছিলেন সেই অমোঘ বাণী যা পরবর্তীকালে লিপিবদ্ধ হয়েছে মায়া পুরান, গ্রীক পুরান, মিশরীয় পুরান, ভগবৎ গীতা সহ পৃথিবীর সবকটা প্রাচীন সনাতনী ধর্মীয় পুস্তকে
"যদা যদাহি ধর্মস্য গ্লানি
ভবতি পৃথিবী।
অভ্যূত্থানম ধর্মস্য
তদাত্মানং সৃজাম্যহম।
পরিত্রাণায় সাধুনাং
বিনাশয় চ দুষ্কৃতাম।
ধর্ম সংস্থাপনার্থায়
সম্ভাবামি যুগে যুগে।"
অর্থাৎ যুগে যুগে যখনই মানুষ নিজেদের ঔদ্ধত্বের সীমা অতিক্রম করবে আর ধর্মের নামে অধর্ম করবে তখনই আবার পৃথিবীর মাটিতে অবতরণ ঘটবে এদের। সুমেরীয় পুরান অনুসারে কলিযুগের শেষে উদ্ধত মানবজাতিকে শিক্ষা দিতে পুনরায় পৃথিবীতে ফিরে আসবেন এরা। সুমেরীয় পুরান অনুসারে সে দিনের আর খুব বেশি বিলম্ব নেই।
সুমেরীয় পুরাণে এদের মূখ্য দেবত্রয়ী আনুনাকি নামে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, বিভিন্ন হিন্দু পুরান অনুসারে এরাই হলেন ব্রহ্মা, বিষ্ণু আর মহেশ্বর। প্রোজেক্ট ব্লু বুকে অংশগ্রহণ করা বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাসার বেশকিছু গবেষকদের মতে ভিনগ্রহী আনুনাকিদের বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির তুলনায় আমরা মানবজাতি প্রায় ১২,০০০ বছর পিছিয়ে রয়েছি আর সত্যিই যদি পৃথিবীতে তাঁদের পুনরাগমন ঘটে তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ পৃথিবীর সবকটি শক্তিধর রাষ্ট্র তাঁদের সর্বোচ্চ উন্নত সমরাস্ত্র নিয়েও এক লহমায় ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে। বহু বহু শতাব্দী পূর্বে সেই রামায়ণ, মহাভারতের আমলেই তাঁরা ব্যবহার করতেন আধুনিক মহাকাশযান পুষ্পক রথ, পরমাণু বোমা ব্রহ্মাস্ত্র, ড্রোন সুদর্শন চক্র সহ নানাবিধ ক্ষেপণাস্ত্র। কোভিড ১৯ এর মতো মারাত্মক জৈবিক অস্ত্র ব্যবহারের কাহিনীও পাওয়া যায় সুমেরীয়, মায়া, মিশরীয় পুরান আর আমাদের রামায়ণ-মহাভারতে। বর্তমানে কোভিড ১৯ করোনা ভাইরাসে নাজেহাল সমগ্র বিশ্ব। WHO সহ পৃথিবীর সবকটি উন্নত রাষ্ট্র একত্রিত হয়েও এই মারণ ভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কার করতে ব্যার্থ। কে জানে হয়তো এই ভয়ানক করোনা ভাইরাসের জন্ম আদৌ পৃথিবীতে নয়। অদূর ভবিষ্যতে পৃথিবীবাসীকে তাঁদের পুনরাগমন নিয়ে আগাম সতর্ক বার্তা দিতেই হয়তো ছোট্ট একটা এক্সপেরিমেন্টের মতো নিজেদের গ্রহ থেকে এই মারণ ভাইরাস প্রেরণ করেছেন আনুনাকিরা। হয়তো উদ্ধত মানবজাতির সৃষ্ট এই সভ্যতাও যে তার অন্তিম সময়ে এসে উপস্থিত হয়েছে এই ভাইরাস তারই একটা অশনি সঙ্কেত।
